NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বুধবার, সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২৬ | ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
শিক্ষা, এআই ও ডিজিটাল দক্ষতায় গুগলের সঙ্গে অংশীদারি চায় বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রে নাটকীয়ভাবে বেড়েছে দক্ষিণ এশীয়দের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ প্রথমবারের মতো নারী প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে মরক্কো ক্রোয়েশিয়াকে ৪-১ গোলে হারিয়ে নেশনস লিগে উড়ছে স্পেন মাদক মামলার চার্জ শুনানি : পায়ে ব্যথায় আদালতে আসেননি নায়িকা পরীমনি ভ্যাটের রিটার্ন জমার নিয়মে আসছে পরিবর্তন, মন্ত্রিসভায় অনুমোদন ইউক্রেনের একাধিক শহরে রুশ ড্রোন হামলা, নিহত ১০ ব্রিটিশ বিমান ঘাঁটির ঘটনায় তেহরানকে যুক্ত করাকে ‘মনগড়া’ বলল ইরানি দূতাবাস এবার সিঙ্গাপুরের কাছেও হারল বাংলাদেশ জন্মদিনে ভক্তদের শুভেচ্ছা জানালেন রণবীর-আলিয়া
Logo
logo

বইমেলার উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী


খবর   প্রকাশিত:  ০২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪, ০৬:২২ এএম

বইমেলার উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

বাংলা একাডেমি আয়োজিত ‘অমর একুশে বইমেলা ২০২৪’ উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টায় বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে উপস্থিত হন প্রধানমন্ত্রী। পরে বিকেল সাড়ে ৪টায় মেলার উদ্বোধন করেন তিনি। এর আগে সাহিত্যে বিশেষ অবদানের জন্য ১১টি ক্যাটাগরিতে ১৬ জনকে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার-২০২৩ তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী।

বাংলা একাডেমি আয়োজিত এবারের বইমেলার প্রতিপাদ্য হচ্ছে ‘পড়ো বই, গড়ো দেশ : বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ (বই পড়ো, দেশ গড়ো : বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ)’। বইমেলায় ৬৩৫টি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৯৩৭টি স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বাংলা একাডেমি মাঠে ১২০টি প্রতিষ্ঠানকে ১৭৩টি এবং সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ৫১৫টি প্রতিষ্ঠানকে ৭৬৪টি স্টল বরাদ্দ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এ বছর মোট ৩৭টি প্যাভিলিয়নও বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। গত বছর ৬০১টি প্রতিষ্ঠানের পক্ষে মোট ৯০১টি স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল।

এবারের বইমেলা অধিবর্ষের বইমেলা। ১ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মেলা অনুষ্ঠিত হবে। ছুটির দিন ছাড়া প্রতিদিন বিকেল ৩টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা থাকবে।তবে রাত ৮টা ৩০ মিনিটের পর নতুন করে কেউ মেলা প্রাঙ্গণে প্রবেশ করতে পারবেন না। আর ছুটির দিন বইমেলা চলবে বেলা ১১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত। তবে ২১ ফেব্রুয়ারি মহান শহীদ দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের দিন মেলা সকাল ৮টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত চলবে। মেলার আশেপাশের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের জন্য ওয়াচ টাওয়ার এবং ফায়ার টেন্ডার স্থাপন করা হয়েছে। মেলার মাঠ ও এর আশপাশের এলাকাগুলো সিসিটিভি ক্যামেরা ও ড্রোন নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে।