NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বুধবার, সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২৬ | ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
শিক্ষা, এআই ও ডিজিটাল দক্ষতায় গুগলের সঙ্গে অংশীদারি চায় বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রে নাটকীয়ভাবে বেড়েছে দক্ষিণ এশীয়দের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ প্রথমবারের মতো নারী প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে মরক্কো ক্রোয়েশিয়াকে ৪-১ গোলে হারিয়ে নেশনস লিগে উড়ছে স্পেন মাদক মামলার চার্জ শুনানি : পায়ে ব্যথায় আদালতে আসেননি নায়িকা পরীমনি ভ্যাটের রিটার্ন জমার নিয়মে আসছে পরিবর্তন, মন্ত্রিসভায় অনুমোদন ইউক্রেনের একাধিক শহরে রুশ ড্রোন হামলা, নিহত ১০ ব্রিটিশ বিমান ঘাঁটির ঘটনায় তেহরানকে যুক্ত করাকে ‘মনগড়া’ বলল ইরানি দূতাবাস এবার সিঙ্গাপুরের কাছেও হারল বাংলাদেশ জন্মদিনে ভক্তদের শুভেচ্ছা জানালেন রণবীর-আলিয়া
Logo
logo

দ্রুত বিচার আইন স্থায়ী করতে সংসদে বিল


খবর   প্রকাশিত:  ০৫ মার্চ, ২০২৪, ০৯:৪৯ এএম

দ্রুত বিচার আইন স্থায়ী করতে সংসদে বিল

দ্রুত বিচার আইন স্থায়ী করতে জাতীয় সংসদে উত্থাপিত ‘আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার-সংশোধন) বিল-২০২৪’ পাসের সুপারিশ করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। কমিটির সুপারিশ সংক্রান্ত প্রতিবেদন জাতীয় সংসদে জমা দেওয়া হয়েছে।

রবিবার (৩ মার্চ) স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশনে বিলের প্রতিবেদন জমা দেন সভাপতির অনুপস্থিতিতে সংসদীয় কমিটির সদস্য ডা. সামিল উদ্দিন আহমেদ শিমুল। 

এর আগে গত ২৯ ফেব্রুয়ারি সংসদে বিলটি উত্থাপন করা হয়।

পরে বিলটি অধিকতর পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়।

 

প্রসঙ্গত, ২০০২ সালে প্রথম এই আইনটি করা হয়েছিল দুই বছরের জন্য। এরপর সাত দফা এই আইনের মেয়াদ বাড়ানো হয়। সর্বশেষ ২০১৯ সালে আইনটি সংশোধন করে মেয়াদ বাড়ানো হয়।

আগামী ৯ এপ্রিল এ আইনের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। এর মধ্যে আইনটির মেয়াদ না বাড়িয়ে, তা স্থায়ী করার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। গত ২৯ জানুয়ারি মন্ত্রিসভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত বিলটি সংসদে তোলা হয়েছে।
বিলে আইনটি স্থায়ী করা ছাড়া অন্য কোনো সংশোধনী প্রস্তাব আনা হয়নি। অর্থাৎ আইনটির বিদ্যমান ধারা এখনকার মতোই থাকবে।

 

বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সংবলিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নে দ্রুত ও কার্যকর ভূমিকা পালনের উদ্দেশ্যে চাঁদাবাজি, যানবাহন চলাকালে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি, যানবাহনের ক্ষতিসাধন, স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি বিনষ্ট করা, ছিনতাই, দস্যুতা, ত্রাস ও অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি, দরপত্র ক্রয়, বিক্রয়, গ্রহণ বা দাখিলে জোরপূর্বক বাধা প্রদান, যা প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি, ভয়-ভীতি প্রদর্শন ইত্যাদি গুরুতর অপরাধের দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার মাধ্যমে দেশের সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অধিকতর উন্নতির লক্ষ্যে ‘আইন- শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন-২০০২’ প্রণয়ন ও জারি করা হয়েছিল। আইনটি প্রণয়নের সময় এর মেয়াদ ছিল দুই বছর। পরবর্তী সময়ে প্রয়োজনীয়তার নিরিখে ক্রমান্বয়ে সাতবার এর মেয়াদ বাড়িয়ে সর্বশেষ ২০১৯ সালের ১০ এপ্রিল ১৭ বছর থেকে ২২ বছর বাড়ানো হয়, যার মেয়াদ আগামী ৯ এপ্রিল শেষ হবে।

দেশের সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা ও অধিকতর উন্নতির জন্য এ আইনটি মেয়াদ শেষে বারবার সময় বাড়িয়ে স্থায়ীভাবে আইনে পরিণত করা প্রয়োজন।