NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বুধবার, সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২৬ | ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
শিক্ষা, এআই ও ডিজিটাল দক্ষতায় গুগলের সঙ্গে অংশীদারি চায় বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রে নাটকীয়ভাবে বেড়েছে দক্ষিণ এশীয়দের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ প্রথমবারের মতো নারী প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে মরক্কো ক্রোয়েশিয়াকে ৪-১ গোলে হারিয়ে নেশনস লিগে উড়ছে স্পেন মাদক মামলার চার্জ শুনানি : পায়ে ব্যথায় আদালতে আসেননি নায়িকা পরীমনি ভ্যাটের রিটার্ন জমার নিয়মে আসছে পরিবর্তন, মন্ত্রিসভায় অনুমোদন ইউক্রেনের একাধিক শহরে রুশ ড্রোন হামলা, নিহত ১০ ব্রিটিশ বিমান ঘাঁটির ঘটনায় তেহরানকে যুক্ত করাকে ‘মনগড়া’ বলল ইরানি দূতাবাস এবার সিঙ্গাপুরের কাছেও হারল বাংলাদেশ জন্মদিনে ভক্তদের শুভেচ্ছা জানালেন রণবীর-আলিয়া
Logo
logo

কাতার-বাংলাদেশের মধ্যে সমঝোতা স্মারক সই হবে কাল


খবর   প্রকাশিত:  ২২ এপ্রিল, ২০২৪, ০৪:২৫ এএম

কাতার-বাংলাদেশের মধ্যে সমঝোতা স্মারক সই হবে কাল

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব রুহুল আমিন বলেছেন, আগামীকাল সোমবার (২২ এপ্রিল) কাতার-বাংলাদেশের মধ্যে সমঝোতা স্মারক সই হবে। এই সমঝোতা স্বারকের মাধ্যমে কাতার শ্রমবাজারে কর্মী পাঠানো আরো সহজ হবে। কাতারে আমরা দক্ষ কর্মী প্রেরণ করতে চাই।

আজ রবিবার (২১ এপ্রিল) রাজধানীর পুরাতন এলিফ্যান্ট রোডে অবস্থিত প্রবাসী কল্যাণ ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময়সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

এ সময়ে প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী শফিকুর রহমান চৌধুরীও উপস্থিত ছিলেন।

 

রুহুল আমিন বলেন, ‘অভিবাসন একটি জটিল ইস্যু। এটা একক দেশের ওপর নির্ভর করে না। অনেক জটিলতা থাকলেও সেগুলো সুরাহা করে আমাদের কাজ করতে হয়।

’

 

তিনি আরো বলেন, ‘কাতারের সঙ্গে আগামীকালই আমাদের সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর হবে। জর্দানের সঙ্গে যেকোনো সময় এমওইউ সই হতে পারে বলে দুপক্ষই একমত হয়েছি। মরিশাশের সঙ্গেও প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে আছে। মাল্টার সঙ্গেও কার্যক্রম চলছে।

আপাতত এগুলো নিয়ে আমাদের কাজ চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। এ ছাড়া রাশিয়াতে দক্ষকর্মী পাঠাতে এরইমধ্যে সীমিত আকারে শুরু হয়েছে। আশা করছি, ভবিষ্যতে রাশিয়া আমাদের জন্য একটি ভালো বাজার হবে।’

 

মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি শ্রমিকদের নিয়ে জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞদের উদ্বেগ নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে সচিব বলেন, ‘আমি এ মন্ত্রণালয়ে আসার পর সবসময় মালয়েশিয়ার সঙ্গে কথা বলছিলাম। মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশের কর্মীদের অবস্থা নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে।

আমি মনে করি, সেখানে দুটো গ্রুপ আছে। একটা চাহিদার বিপরীতে যাচ্ছে, তারা একটা গ্রুপ, আরেকটা হচ্ছে, যারা ভিজিট ভিসায় গিয়েছেন কিংবা চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পরও সেখানে অবস্থান করছেন।’

 

তিনি বলেন, ‘সেখানে কাজে যাওয়া মোট কর্মীর মাত্র এক শতাংশ হবে। ভিজিট ভিসায় যারা গেছেন, তাদের হিসেবে নিলে সংখ্যাটা একটু বড় হবে। তবে চাহিদার বিপরীতে যে লোকগুলো মালয়েশিয়ায় গেছেন, তাদের মধ্যে যাদের কাজ নেই, আশা করছি, ৩১ মের পরেই তাদের পুনর্বণ্টন করা হবে।’