NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, রবিবার, সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬ | ১২ আশ্বিন ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নেতাদের সঙ্গে সাইডলাইন বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী ইরানের ৭ দিনের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন ট্রাম্প নেইমারের ১০ নম্বর জার্সি এখন রাফিনিয়ার দুবাইয়ে বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে গান গাইবেন কেটি পেরি জাতিসংঘে দূরদর্শী ভাষণের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে রাষ্ট্রপতির অভিনন্দন বাংলাদেশকে নিয়ে ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্পের পোস্ট ইতালির স্কুলে নিষিদ্ধ হচ্ছে বোরকা-নিকাব, বিদেশি শিক্ষার্থীর সংখ্যাতেও সীমা গাজায় নিজেদের ড্রোন বিস্ফোরণে দুই ইসরায়েলি সেনা নিহত বানসালির ‘লাভ অ্যান্ড ওয়ার’-এর পোস্টারে নতুন লুকে রণবীর বাংলাদেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থার আধুনিকায়ন নিয়ে আলোচনা
Logo
logo

জুলাই সনদে পরেও স্বাক্ষর করা যাবে : আলী রীয়াজ


খবর   প্রকাশিত:  ১৭ অক্টোবর, ২০২৫, ১০:১০ এএম

জুলাই সনদে পরেও স্বাক্ষর করা যাবে : আলী রীয়াজ

জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ঐতিহাসিক ‘জুলাই সনদ’ সই অনুষ্ঠান। আগামীকাল শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) যদি কোনো রাজনৈতিক দল এ সনদে সই না করে, তারা পরেও সুযোগ পাবেন বলে জানিয়েছেন জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ।

বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) সন্ধ্যায় জাতীয় সংসদ ভবনের এলডি হলে ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ স্বাক্ষর অনুষ্ঠান প্রস্তুতি সংক্রান্ত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

স্বাক্ষর অনুষ্ঠান প্রসঙ্গে অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন, রাজনৈতিক দলগুলো সনদের অঙ্গীকারনামা অংশে স্বাক্ষর করবেন।

পাশাপাশি কমিশনের সদস্যরাও সই করবেন, আর সর্বশেষে স্বাক্ষর করবেন কমিশনের প্রধান এবং প্রধান উপদেষ্টা।

 

তিনি বলেন, অনুষ্ঠানে উপস্থিত সবার কাছে সনদের কপি সরবরাহ করা হবে, যাতে তারা জানতে পারেন সনদে কী কী বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

এ সময় এক সাংবাদিক তাকে প্রশ্ন করেন, আগামীকাল যদি কোনো রাজনৈতিক দল জুলাই সনদে সই না করে, তাহলে তারা পরবর্তী সময়ে স্বাক্ষর করতে পারবে কিনা? জবাবে আলী রীয়াজ বলেন, হ্যাঁ, সুযোগ থাকবে।

তিনি বলেন, শুক্রবার সব দলের স্বাক্ষর নিতে পারলে ভালো।

তবে যদি কোনো দল পরবর্তীতে স্বাক্ষরের কথা বলে... তারা তো সনদ প্রক্রিয়ার অংশীদার। শরিক হিসেবে তারা সেটি করতে পারবে। তবে কমিশন আশা করে, সবাই একসঙ্গে বসে উৎসবমুখর পরিবেশে স্বাক্ষর করবে।

 

আলী  রীয়াজ বলেন, আমরা সনদ বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনা করেছি এবং পরিকল্পনা নির্ধারণ করেছি।

রাজনৈতিক দলগুলোর কাছ থেকে সময়ে সময়ে যে মতামত পেয়েছি, তা আনুষ্ঠানিক ও অনানুষ্ঠানিকভাবে আমরা বিবেচনায় নিয়েছি এবং এই আলোচনা ও যোগাযোগ আগামী দিনগুলোতেও অব্যাহত থাকবে। কমিশন মনে করে, জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে যেন কোনো ব্যত্যয় না ঘটে। এটি আমাদের দায়িত্ব। বাংলাদেশের নাগরিকদের যে প্রচেষ্টা, যে আকাঙ্ক্ষা, যার জন্য প্রাণ দিতে হয়েছে, নিপীড়নের শিকার হতে হয়েছে তার বিপরীতে যেন একটি জবাবদিহিমূলক, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গড়ে তোলা যায় যেখানে সাম্য, মানবিক মর্যাদা এবং সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে; এই লক্ষ্যেই সনদ প্রণীত হয়েছে।