NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শনিবার, সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৬ | ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নেতাদের সঙ্গে সাইডলাইন বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী ইরানের ৭ দিনের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন ট্রাম্প নেইমারের ১০ নম্বর জার্সি এখন রাফিনিয়ার দুবাইয়ে বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে গান গাইবেন কেটি পেরি জাতিসংঘে দূরদর্শী ভাষণের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে রাষ্ট্রপতির অভিনন্দন বাংলাদেশকে নিয়ে ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্পের পোস্ট ইতালির স্কুলে নিষিদ্ধ হচ্ছে বোরকা-নিকাব, বিদেশি শিক্ষার্থীর সংখ্যাতেও সীমা গাজায় নিজেদের ড্রোন বিস্ফোরণে দুই ইসরায়েলি সেনা নিহত বানসালির ‘লাভ অ্যান্ড ওয়ার’-এর পোস্টারে নতুন লুকে রণবীর বাংলাদেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থার আধুনিকায়ন নিয়ে আলোচনা
Logo
logo

সড়ক-বাঁধ সুরক্ষায় বিন্না ঘাস ব্যবহারের সিদ্ধান্ত


খবর   প্রকাশিত:  ১৮ আগস্ট, ২০২৬, ১১:০৮ এএম

সড়ক-বাঁধ সুরক্ষায় বিন্না ঘাস ব্যবহারের সিদ্ধান্ত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে সড়ক ও বাঁধ ভাঙন রোধে পরিবেশবান্ধব বিন্না ঘাসের ব্যবহার নিয়ে সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (১৭ আগস্ট) বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব শাহাদাৎ স্বাধীন এ কথা জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, বৈঠকে বিন্না ঘাসের ব্যবহার নিয়ে একটি প্রস্তাবনা তুলে ধরেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরকৌশল বিভাগের শিক্ষক ও গবেষক ড. মোহাম্মদ শরীফুল ইসলাম।

বৈঠকে বিন্না ঘাসের উপকারিতা এবং দেশের সড়ক ও বাঁধ নির্মাণ প্রকল্পে এই ঘাসের ব্যবহার নিয়ে একমত পোষণ করা হয়।

বৈঠকে ঠিক কোন কোন প্রকল্পে এই ঘাসের ব্যবহার করা যেতে পারে, তা আরও বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনার জন্য অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীরের নেতৃত্বে প্রস্তাবক ড. মোহাম্মদ শরীফুল ইসলামকে অন্তর্ভুক্ত একটি টেকনিক্যাল কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত হয়েছে।

পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে এই ঘাসের ব্যবহার বিষয়ে একটি গাইডলাইন তৈরির সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে বলে জানান শাহাদাৎ স্বাধীন।

উল্লেখ্য, এই ঘাসকে ভেটিভার ঘাসও বলা হয়। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বাঁধ ভাঙন মোকাবিলায় এই ঘাসের ব্যবহার হচ্ছে। বিন্না ঘাসের লম্বা মূল বা শিকড় খুব দ্রুত মাটির গভীরে প্রবেশ করে এবং মাটিকে শক্তভাবে আঁকড়ে ধরে রাখে।

প্রচণ্ড ঠান্ডা ও তীব্র গরমসহ প্রতিকূল পরিবেশেও এই ঘাস বেঁচে থাকতে পারে। পানিতে ডুবে থাকলেও এটি পচেঁ না এবং লবণাক্ত পানিতেও টিকে থাকতে পারে।

বৈঠকে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, পানিসম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ, অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান।