NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শনিবার, সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৬ | ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নেতাদের সঙ্গে সাইডলাইন বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী ইরানের ৭ দিনের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন ট্রাম্প নেইমারের ১০ নম্বর জার্সি এখন রাফিনিয়ার দুবাইয়ে বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে গান গাইবেন কেটি পেরি জাতিসংঘে দূরদর্শী ভাষণের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে রাষ্ট্রপতির অভিনন্দন বাংলাদেশকে নিয়ে ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্পের পোস্ট ইতালির স্কুলে নিষিদ্ধ হচ্ছে বোরকা-নিকাব, বিদেশি শিক্ষার্থীর সংখ্যাতেও সীমা গাজায় নিজেদের ড্রোন বিস্ফোরণে দুই ইসরায়েলি সেনা নিহত বানসালির ‘লাভ অ্যান্ড ওয়ার’-এর পোস্টারে নতুন লুকে রণবীর বাংলাদেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থার আধুনিকায়ন নিয়ে আলোচনা
Logo
logo

আসিফ মাহমুদের টাকা আছে সুইস ব্যাংকেও : দুদক


খবর   প্রকাশিত:  ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০৭:০৯ পিএম

আসিফ মাহমুদের টাকা আছে সুইস ব্যাংকেও : দুদক

সাবেক উপদেষ্টা ও এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিভিন্ন দেশে প্রায় ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এ ছাড়া সুইস ব্যাংকে অর্থ জমা রাখা ও বিদেশে বিপুল পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অনুসন্ধান শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থাটি।

 

আজ রবিবার দুদকের প্রধান কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান সংস্থাটির জনসংযোগ বিভাগের সহকারী পরিচালক তানজির আহমেদ।

তিনি বলেন, সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অনিয়ম ও অর্থপাচারের অভিযোগ পাওয়া গেছে। উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে নিয়োগ, ডিসি পদায়ন, বিভিন্ন সিটি করপোরেশন ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের উন্নয়ন প্রকল্পের টেন্ডার নিয়োগ বদলি এবং পদোন্নতিতে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ রয়েছে।

এ ছাড়া গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন, সেতু নির্মাণ, সায়েদাবাদ পানি শোধনাগার ও শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম প্রকল্পে ব্যয় বাড়িয়ে অর্থ আত্মসাতেরও অভিযোগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন দুদক কর্মকর্তা।

 

তিনি বলেন, বিদেশে বিপুল অর্থপাচার করে পর্তুগাল, দুবাই, সিঙ্গাপুর, অস্ট্রেলিয়া ও সুইস ব্যাংকের সম্পদ গড়ার অভিযোগ রয়েছে।

আসিফ মাহমুদেরৱ বাবা, এপিএস ও পিওর বিরুদ্ধে ঠিকাদারী সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ, ঘুষ লেনদেনের তদবির ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে। তানজির আহমেদ বলেন, অভিযোগটি যাচাই বাছাই শেষে চলমান অনুসন্ধানের সঙ্গে সংযুক্ত করে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন।