NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শনিবার, সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৬ | ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নেতাদের সঙ্গে সাইডলাইন বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী ইরানের ৭ দিনের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন ট্রাম্প নেইমারের ১০ নম্বর জার্সি এখন রাফিনিয়ার দুবাইয়ে বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে গান গাইবেন কেটি পেরি জাতিসংঘে দূরদর্শী ভাষণের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে রাষ্ট্রপতির অভিনন্দন বাংলাদেশকে নিয়ে ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্পের পোস্ট ইতালির স্কুলে নিষিদ্ধ হচ্ছে বোরকা-নিকাব, বিদেশি শিক্ষার্থীর সংখ্যাতেও সীমা গাজায় নিজেদের ড্রোন বিস্ফোরণে দুই ইসরায়েলি সেনা নিহত বানসালির ‘লাভ অ্যান্ড ওয়ার’-এর পোস্টারে নতুন লুকে রণবীর বাংলাদেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থার আধুনিকায়ন নিয়ে আলোচনা
Logo
logo

প্রকৃতি রক্ষা করতে গিয়ে সর্বাধিক প্রাণহানি কলম্বিয়া ও ব্রাজিলে


খবর   প্রকাশিত:  ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০৯:০৯ এএম

প্রকৃতি রক্ষা করতে গিয়ে সর্বাধিক প্রাণহানি কলম্বিয়া ও ব্রাজিলে

ভূমি ও পরিবেশ সুরক্ষায় নিয়োজিত কর্মীদের জন্য দক্ষিণ আমেরিকার দেশ কলম্বিয়া আবারও বিশ্বের সবচেয়ে বিপজ্জনক স্থানে পরিণত হয়েছে। বিশ্বজুড়ে পরিবেশ ও মানবাধিকার নিয়ে কাজ করা আন্তর্জাতিক বেসরকারি সংস্থা ‘গ্লোবাল উইটনেস’-এর সাম্প্রতিক এক বার্ষিক প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।

সংস্থাটির হিসাব অনুযায়ী, ২০২৫ সালে বিশ্বজুড়ে অন্তত ১২৪ জন পরিবেশ আন্দোলনকর্মীকে হত্যা করা হয়েছে, যার মধ্যে প্রায় এক-তৃতীয়াংশ বা ৩৯ জনই প্রাণ হারিয়েছে কলম্বিয়ায়। এ ছাড়া ব্রাজিলে ২৬ জন এবং ফিলিপাইনে ১২ জন পরিবেশকর্মীকে হত্যা করা হয়।

 

প্রতিবেদনে আরো জানানো হয়, আন্তর্জাতিকভাবে নথিভুক্ত মোট হত্যাকাণ্ডের ৮৫ শতাংশই ঘটেছে লাতিন আমেরিকা অঞ্চলে। ২০১২ সাল থেকে সংস্থাটি তথ্য সংগ্রহ শুরু করার পর থেকে প্রতি বছরই এই অঞ্চলটি পরিবেশ রক্ষাকারীদের জন্য সবচেয়ে প্রাণঘাতী স্থান হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আসছে।

অধিকাংশ মৃত্যুই ঘটেছে জমিসংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে, যা বাস্তবায়নে জড়িত ছিল ভাড়াটে খুনি ও সংগঠিত অপরাধী চক্র।

 

কলম্বিয়ায় নিহতদের অর্ধেকেরও বেশি ছিলেন আদিবাসী সম্প্রদায়ের সদস্য ও ক্ষুদ্র কৃষক। অবৈধ সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো মাদক চাষ বা অবৈধ খনি সম্প্রসারণে বাধা দেওয়ায় প্রায়ই তাদের ওপর আক্রমণ চালায়। সম্প্রতি কলম্বিয়ার কাউকা অঞ্চলে আদিবাসী রক্ষীবাহিনীর সদস্য জ্যাকব গুয়াচেতা জামব্রানোকে নির্যাতন করে হত্যার ঘটনাটি ওই এলাকার চরম নিরাপত্তাহীনতাকে আবারও সামনে এনেছে।

 

গ্লোবাল উইটনেস সতর্ক করে জানিয়েছে, বিশ্বজুড়ে ২০২৪ সালের ১৪৬টি হত্যাকাণ্ডের তুলনায় ২০২৫ সালে নিহতের সংখ্যা কিছুটা কমলেও প্রকৃত সংখ্যাটি আরো অনেক বেশি হতে পারে। কারণ দূরবর্তী বা দুর্গম অঞ্চলে ঘটা অনেক হুমকি, গুম ও হত্যাকাণ্ডের খবর প্রকাশ না পেয়ে লোকচক্ষুর আড়ালেই থেকে যায়।